কেন ইলন মাস্ক ৪৪ বিলিয়ন ডলার দিয়ে টুইটার কিনেছেন?
ইলন মাস্ক দুইটি কারণে টুইটার কে কিনে নিয়েছে,
১.টুইটারকে বাক স্বাধীনতা বা ফ্রি স্পিচে ভর্তির প্লাটফর্ম বানাবে।
২. টুইটার থেকে ফ্যক আইডি গুলো রিমুভ করানো হবে।
২০২১-২০২২ সালে টুইটার ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেভিনিউ করেছিল এবং ২১৭ মিলিয়ন ইউজার প্রতিদিন টুইটারে এসেছিল। কিন্তু অন্য সোশাল মিডিয়া সাথে তুলনা করে কি দাড়ায়? ইউটিউব শেষ বছরে ২৮ বিলিয়ন ডলার কামিয়েছিল, আমাজন শেষ বছরে ৩০ বিলিয়ন ডলার কামিয়েছিল, এবং ফেসবুক একাই ১১৭ বিলিয়ন ডলার কামিয়েছিল। আর পৃথিবীর সকল সোশাল মিডিয়ার তুলনায় টুইটার ১৭ নম্বরে আছে। ইলন মাস্ক যে নিজের টাকা ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে ১-২ বছরের মধ্যে ডাবল,ট্রিপল করে ফলে। সেখানে টুইটার যদি একই ভাবে উন্নতি করতে থাকে তারপরেও ইলন মাস্কের আসল টাকা ইনকাম করতে ১০ বছর সময় লাগবে। টুইটার এমন একটি প্লাটফর্ম যা শুরুর দিন থেকে আজও পরিবর্তন হয়নি।ইলন মাস্কের প্রায় ৮৫ মিলিয়ন ফলোয়ারস রয়েছে টুইটারে। টুইটারে টপ টেন ফলোর একাউন্টের মধ্যে তার একাউন্ট একটি। ইলন মাস্ক কিছু দিন আগে টুইটারে ৯.২% স্টেক কিনেছিল।কিন্তু যখন টুইটারে সিএইউ ইলন মাস্ক টুইটারে বোর্ডে জয়েন করতে বলে ইলন মাস্ক সেখানে জয়েন করে না। তিনি বলেন আমার ইনভেস্টমেন্টের পরে আমার মনে হয় কোম্পানির ততদিন ফ্রি স্পিচকে প্রমট করবেনা যতদিন না কোম্পানিটি প্রাইভেট কোম্পানিতে পরিণত না হবে। আসলে ইলন মাস্ক টুইটারে একটি বড় পবলেমের সল্ভ করতে চেয়েছিল। আর সেটা হচ্ছে ফ্রিডম আভ স্পিচ। ডোনাল্ড ট্রাম্পের একাউন্ট ব্যন্ড করা মানে তার একধরনের খারাপ চিন্তা ভাবনা কে ব্যন্ড করা। এখানে ফ্রিডম আভ স্পিচ থাকলো না। ইলন মাস্ক পৃথিবীর সবচেয়ে বর ফাইনালশিয়াল গুরু , কারন পৃথিবী ব্যপি অনেক মানুষ তার কথা না বুঝ শুনে তার কাছে বিনিয়োগ করে।দেখা গেছে নতুন বিনিয়োগ কারিরা তার কারণে অনেক বিপদে পড়ে। তাই এরপর থেকে USA এর SEC সংস্থা থেকে ইলন মাস্কের প্রতিটা টুইট করার আগে পারমিশন নিতে হতো।আর এরকমই যদি চলতেই থাকে তাহলে ইলন মাস্কের টুইটার একাউন্ট ব্যন্ড হয়ে যেতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মত।কিন্তুু টুইটারে ইলন মাস্ক সবচেয়ে বেশি একটিভ থাকে, সে নিজের কোম্পানির প্রডাক্ট গুলোকে এখানে প্রমট করে। ইলন মাস্ক একটি জিনিস কিছুতেই হারাতে চাইছিল না,সেটা হচ্ছে টুইটার থেকে পাওয়া ক্ষমতা। তাই ইলন মাস্ক টুইটার কিনেছে


কোন মন্তব্য নেই: